"থাপড়ায়া সোজা করে দিব "এই টাইপের একজনের সাথে আমার পরিচয় আছে । রাসেল , আমার ক্লাসমেট এবং বন্ধুগত্রীয় একজন ।
কোন কারনে রেগে গেলে তার মুখ থেকে আপনা আপনি বের হয়ে আসে থাপড়ায়া সোজা করে দিব ।যদিও কখনো তাকে কাওকে থাপড়াইতে দেখা যায় নাই।
পরিচিত মানুষজন তার এই স্বভাব এর কথা জানলেও ,অপরিচিত কেও এটা সহজ ভাবে নিতে পারে না ।
বছরের শুরুতে ভার্সিটিতে নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে ।সিনিয়র হওয়ার সুবাদে তাদেরকে র্যাগ দেওয়ার মহান দায়িক্ত আমাদের ঘাড়ে ।
সেদিন আমি ,রাসেল সহ আরো কয়েকজন ক্যান্টিন এ বসে ছিলাম ।হঠাৎ দেখি 1st ইয়ার এর একটা মেয়ে এদিকে আসছে ।তাকে দেখেই আমাদের মাঝে "বড় ভাই" ভাব জেগে উঠলো ।মেয়েটার দিকে না তাকিয়ে আমরা নিজেদের ভেতর চোখাচোখি করলাম ।
মেয়েটা আমাদেরকে সর্ম্পূন অগ্রাহ করে পাশ দিয়ে হেটে চলে গেল ।
মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আমি বলে উঠলাম "মেয়েটার সাহস দেখলি ।মনে হল আমাদের দেখেই নি !"
রিয়াদ পাশ থেকে বলে উঠলো "বেয়াদপ একটা "
রাসেল চুপ করে ছিল ।হঠাৎ করে বলে উঠলো "মেয়েটাকে ডাক দে ।"
"থাক ।কি দরকার !"আমি বলে উঠলাম ।
রিয়াদ ততক্ষনে "এই মেয়ে ,এই মেয়ে "বলে ডাকা শুরু করছে ।
মেয়েটা ঘাড় ঘুড়িয়ে বলল "আমাকে ডাকছেন ?"
রিয়াদ -"হু ,তোমাকেই ডাকছি ।এদিকে এসো ।"
মেয়েটি আমাদের পাশে এসে দাড়াল ।অপিরিচিত কেও ডাকার কারনে বেশ নার্ভাস ।
রিয়াদ -কি নাম তোমার ?
মেয়ে -রিপা ।
আমি -কোন ইয়ার ?
মেয়ে -1st ইয়ার ।
রাসেল -কোন ডিপামেন্ট ?
মেয়ে -মাইক্রোবায়োলজি ।
রাসেল -আমরা কোন ডিপামেন্টের জানো ?
মেয়ে -জি না ভাইয়া ।
রাসেল -নিজের ডিপামেন্টের বড় ভাই দের চেনো না ।ক্যাম্পাসে এসো শুধু টই টই করে ঘুরে বেরাচ্ছ ।থাপড়ায়া সোজা করে দিব ।
মেয়েটির চোখে প্রথমে কিছুটা বিস্ময় দেখা গেল ।মুহূর্ত পরেই সেটা অশ্রুদাড়ায় রূপান্তরিত হল ।
আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই মেয়েটির কান্না শুরু হয়ে গেছে ।
কান্নাকাটি দেখে আমরা সবাই বিব্রত ।সবচেয়ে বেশি অবাক রাসেল ।সে ভাবতেই পারে নি তার কথা শুনে কেও কান্না করে দেবে !
(হঠাৎ করে লিখতে ইচ্ছা হল ।যতটুকু মাথায় এসেছিল ,লিখলাম ।এর পরে কি হবে সেটা যদি পরে মাথায় আসে তো লিখব ।লেখা চলতে থাকবে ।
আর যদি না আসে ,তবে এখানেই সমাপ্তি ।
এখন শুধুই অপেক্ষা। )
কোন কারনে রেগে গেলে তার মুখ থেকে আপনা আপনি বের হয়ে আসে থাপড়ায়া সোজা করে দিব ।যদিও কখনো তাকে কাওকে থাপড়াইতে দেখা যায় নাই।
পরিচিত মানুষজন তার এই স্বভাব এর কথা জানলেও ,অপরিচিত কেও এটা সহজ ভাবে নিতে পারে না ।
বছরের শুরুতে ভার্সিটিতে নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে ।সিনিয়র হওয়ার সুবাদে তাদেরকে র্যাগ দেওয়ার মহান দায়িক্ত আমাদের ঘাড়ে ।
সেদিন আমি ,রাসেল সহ আরো কয়েকজন ক্যান্টিন এ বসে ছিলাম ।হঠাৎ দেখি 1st ইয়ার এর একটা মেয়ে এদিকে আসছে ।তাকে দেখেই আমাদের মাঝে "বড় ভাই" ভাব জেগে উঠলো ।মেয়েটার দিকে না তাকিয়ে আমরা নিজেদের ভেতর চোখাচোখি করলাম ।
মেয়েটা আমাদেরকে সর্ম্পূন অগ্রাহ করে পাশ দিয়ে হেটে চলে গেল ।
মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আমি বলে উঠলাম "মেয়েটার সাহস দেখলি ।মনে হল আমাদের দেখেই নি !"
রিয়াদ পাশ থেকে বলে উঠলো "বেয়াদপ একটা "
রাসেল চুপ করে ছিল ।হঠাৎ করে বলে উঠলো "মেয়েটাকে ডাক দে ।"
"থাক ।কি দরকার !"আমি বলে উঠলাম ।
রিয়াদ ততক্ষনে "এই মেয়ে ,এই মেয়ে "বলে ডাকা শুরু করছে ।
মেয়েটা ঘাড় ঘুড়িয়ে বলল "আমাকে ডাকছেন ?"
রিয়াদ -"হু ,তোমাকেই ডাকছি ।এদিকে এসো ।"
মেয়েটি আমাদের পাশে এসে দাড়াল ।অপিরিচিত কেও ডাকার কারনে বেশ নার্ভাস ।
রিয়াদ -কি নাম তোমার ?
মেয়ে -রিপা ।
আমি -কোন ইয়ার ?
মেয়ে -1st ইয়ার ।
রাসেল -কোন ডিপামেন্ট ?
মেয়ে -মাইক্রোবায়োলজি ।
রাসেল -আমরা কোন ডিপামেন্টের জানো ?
মেয়ে -জি না ভাইয়া ।
রাসেল -নিজের ডিপামেন্টের বড় ভাই দের চেনো না ।ক্যাম্পাসে এসো শুধু টই টই করে ঘুরে বেরাচ্ছ ।থাপড়ায়া সোজা করে দিব ।
মেয়েটির চোখে প্রথমে কিছুটা বিস্ময় দেখা গেল ।মুহূর্ত পরেই সেটা অশ্রুদাড়ায় রূপান্তরিত হল ।
আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই মেয়েটির কান্না শুরু হয়ে গেছে ।
কান্নাকাটি দেখে আমরা সবাই বিব্রত ।সবচেয়ে বেশি অবাক রাসেল ।সে ভাবতেই পারে নি তার কথা শুনে কেও কান্না করে দেবে !
(হঠাৎ করে লিখতে ইচ্ছা হল ।যতটুকু মাথায় এসেছিল ,লিখলাম ।এর পরে কি হবে সেটা যদি পরে মাথায় আসে তো লিখব ।লেখা চলতে থাকবে ।
আর যদি না আসে ,তবে এখানেই সমাপ্তি ।
এখন শুধুই অপেক্ষা। )
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন